ঢাকা: নবনিযুক্ত উপাচার্য হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যপক শাদাত উল্লা।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে শাদাত উল্লা বলেন, “আমার তিনটি স্বপ্ন। একটি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। ২০১৩ সালে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমার্বতন করা এবং আরোও নতুন অনুষদ খোলা।”
শেকৃবিকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. শহীদুর রশীদ ভূইয়া, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হযরত আলী, শিক্ষক সমিতি সভাপতি অধ্যাপক ড. অলক কুমার পাল, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
সোমবার নবনিযুক্ত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবেন।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্চায জিল্লুর রহমানের সম্মতিক্রমে নবনিযুক্ত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ এর ১০ (১) ধারা মোতাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ দেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটের (বি.এ.আই.) হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বি.এ.আই.কে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার ঘোষণা দেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৯ জুলাই ২০০১ সালে সংসদে আইন পাশ হয় এবং একই দিনে তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে অধ্যাপক শাদাত উল্লাকে প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু নিয়োগের মাত্র ১ মাসের মাথায় চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাকে সরিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাদা দলের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এ.এম ফারুককে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তৎকালীন বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটকে (বিএআই) বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরে অধ্যাপক শাদাত উল্লার নেতৃত্ব ছিল প্রশংসনীয়। তিনি তখন বিএআই এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২০০ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১২
এমএন/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর