চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা ও আনোয়ারায় পারকি সমুদ্রসৈকতে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। দু’টি সৈকতে ঈদের আগে-পরে মোট চারদিনের জন্য তিনটি সেবাকেন্দ্র খুলেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও নেভাল একাডেমির পার্শ্ববর্তী সৈকতে দু’টি সেবাকেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন। একইসঙ্গে পারকি সমুদ্রসৈকতেও একটি সেবাকেন্দ্র চালু করেছে স্থানীয় কর্ণফুলী থানা পুলিশ।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর) মো. হাছান চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, “ঈদের ছুটিতে প্রতিবছর এ দুটি সমুদ্রসৈকতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। বেড়াতে আসা এসব মানুষকে যাতে ইভটিজিং, পকেটমার, চুরি, বাড়তি দাম দিয়ে জিনিস কেনাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়, সেজন্য এসব সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে ৪২ জন কমিউনিটি পুলিশ এবং ৫০ জন নিয়মিত পুলিশ ঈদের ছুটির সময় দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া পারকি সমুদ্রসৈকতে ১৫ জন কমিউনিটি পুলিশ ও ২০ জন নিয়মিত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন।
মানুষকে সচেতন করতে শনিবার সকাল থেকে দু’টি সমুদ্রসৈকতে পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। এতে জনসাধারণকে যে কোনো সাহায্যের প্রয়োজনে সেবাকেন্দ্রের কাছে যাবার অনুরোধ করা হচ্ছে।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর) মো. হাছান চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, “অনেক সময় দেখা যায়, দোকানিরা মানুষ বেশি দেখে ১০ টাকার জিনিস ৩০ টাকা নিচ্ছেন। আবার বখাটেরা এসে সৈকতে বেড়াতে আসা নারীদের বিরক্ত করছেন। এসব বিষয় অভিযোগকেন্দ্রে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বাংলানিউজকে জানান, মূল সৈকতের যানবাহন পার্কিং, বেড়িবাঁধ ও সৈকতে তিন স্তরের পুলিশ পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪০৮ ঘণ্টা, আগস্ট ১৮, ২০১২
আরডিজি/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর