 |
স্প্রিন্ট কিং উসাইন বোল্টের দিকেই এখন মনোযোগ বিশ্ববাসীর। আর সেই সুযোগে একের পর এক কথার বোমা ফাটাচ্ছেন তিনি। ১০০ মিটার স্প্রিন্টে অলিম্পিকের স্বর্ণজয়ের পরপরই সমালোচনামুখর হয়েছেন আয়োজকদের। এক দিন যেতেই বললেন নতুন একটি প্রত্যাশার কথা।
উসাইন বোল্ট ব্রিটেনের সেরা ক্লাব ফুটবল দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এ খেলতে চান। বলেছেন, আমি পারি কিনা ফার্গি তা একবার পরখ করে দেখতে পারেন।
স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ। সুপারসনিক বোল্ট অবশ্য এই বলেও হুশিয়ার করেছেন যে, তাকে পেতে হলে একটু দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফার্গিকে।
৯.৬৩ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পার হওয়ার পর এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটের দলভুক্ত হওয়াকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন উসাইন বোল্ট।
বোল্টের দৃঢ় উচ্চারণ, কেউ কেউ ভাবছে আমি মজা করছি, কিন্তু আমি সিরিয়াস। অ্যালেক্স ফার্গুসন আমাকে ডাকলে আমি বলবো, চলুন... দেখুনই পরীক্ষা করে আমি পারি কীনা। ফার্গি ডেকে পাঠালে না বলাটা আমার জন্য অসম্ভবই হয়ে পড়বে।
“ফুটবলে আমি ভালো এ নিয়ে আমার আত্মবিশ্বাস আছে। আর তা না হলে এই চ্যালেঞ্জ আমি নিতাম না। মাঠে নামলে ভিন্ন কিছু উপহার দিতে পারবো কথা দিচ্ছি,” বলেন বোল্ট।
“দলের সবচেয়ে দ্রুতগতির খেলোয়াড় হবো সে ব্যাপারে তো সন্দেহই নেই। আর খেলাটা আমি ভালোই জানি।”
৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার এই জ্যামাইকান আরও বললেন, “অলিম্পিকের পরেও ব্রিটেনে কিছুদিন থাকবো। অ্যালেক্স ফার্গুসন চাইলে এই সময়ের মধ্যে আমাকে ডেকে পরখ করে নিতে পারেন।”
স্যার অ্যালেক্সের তারকাদের কারো কারো সঙ্গে বোল্টের আগে থেকেই একটা ভালো পরিচয় রয়েছে। জানালেন, ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার সফরে আসার পর থেকেই ক্লাবটির সদস্য হতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি। বোল্ট বলেন, “আমি আসলেই দেখতে চাই আমি কতটুকু করতে পারি। আমি মনে করি মাঠে রুনিদের চেয়ে একটু দ্রুতই দৌড়াতে পারবো।
ম্যান ইউ’র একজন মুখোপাত্র বলেন, “বিশ্বের সবচেয়ে গতিসম্পন্ন মানুষটি অবশ্যই দলে বাড়তি গতি সঞ্চার করতে পারবেন।”
পূর্ব লন্ডনের স্ট্যাটফোর্ডে অলিম্পিক স্টেডিয়ামে রোববার ৮০ হাজার দর্শক সরাসরি উপভোগ করেন বোল্টের গতি। তবে শুধু রেসে নয়, টেলিভিশনেও রেকর্ড ভেঙ্গেছেন উসাইন বোল্ট। ওই রাতে ২ কোটি ব্রিটিশ ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ইভেন্টটি টেলিভিশনে দেখেছেন। সেটিই ছিলো ব্রিটেনে টেলিভিশনে অলিম্পিক দর্শনের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
বাংলাদেশ সময় ১১৪৬ ঘণ্টা, আগস্ট ০৭, ২০১২
এমএমকে