 |
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
তোমার অতুল জন্মশতবর্ষ পেরিয়ে নীরবে
কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প আজও লিখে চলেছি দেদার!
পৃথিবীর যাবতীয় অর্থবিত্ত কথা কহিলেও
ইংরেজি ভাষায়, তুমি, পারঙ্গম বিলেতি সাহিত্যে,
মহৎ, শিক্ষকতায়; অস্ত্র হাতে কেন হে লড়িলে
নিজেরই অর্জন আর সাম্রাজ্যের অখিল বিরুদ্ধে?
অনুধাবনের আগে কেন কেউ, নিজ নারীদেহ
বাঁচাতে নির্দ্বিধ হলে তুমি আত্মহননে ভেবেই
বেমালুম ভুলে যায় জাগৃতির আশ্চর্য উচ্চতা?
মানুষ আপাদনাভি শুধু তবে হোমোসেপিয়েন্স?
তাহলে সফল সেনা, সহযাত্রীদের বাঁচাও কি
আপন মৃত্যুর অধিকর্তা হয়ে শত্রুর সম্মুখে,
বিলকুল অক্ষুণ্ন রাখতে অভিযানে প্রথম বিজয়?
দুশমনের হাতে মৃত্যু কি বন্দিত্বে না হোক মলিন
কখনো একজনও সংশপ্তক, এই প্রতীতি হেতু কি
নিজ কণ্ঠে ঢেলে নিলে মৃত্যুঞ্জয়ী ভীষণ গরল!
স্বাধীন ভূখণ্ড আজ তোমাদেরই উত্তরাধিকার।
তথাপি মশগুল কিসে মোরা আত্মপরিচয় ভুলে?
আমার অসুরজনম বিফল, সুবিধাবাদিতায়!
মেরীর ধরনে নও বাগদত্তা কি কুমারী জননী;
তবুও মাতার মাতা, পুনর্জন্ম দেবে কি আমায়?
তার আগে এ আশ্বিনে পুজো দেবো তোমাকে কেবলই।
তুমিই আরাধ্য আজ, দুর্গা নয়, হে অভিভাবক,
পুনশ্চ না হই যাতে বিস্মৃতিপ্রবণ কিংবা ঠগ।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১০ ঘণ্টা, ০৭ অক্টোবর, ২০১২