 |
ঢাকা: লিবিয়াতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এ ঘটনার তদন্ত করবে।
এ ঘোষণার পরপরই লিবিয়াতে দু’টি যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) এবং এক ইউনিট মেরিন সেনা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওবামা বলেছেন, “যারা আমাদের লোকদের ওপর হামলা করেছে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে আমরা লিবিয়ার সরকারের সঙ্গে কোনো ভুল করব না।”
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বেনগাজিতে মার্কিন কনস্যুলেটে একদল অস্ত্রধারী হামলা চালালে রাষ্ট্রদূত স্টিভেন্সসহ চার জন নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত ‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ নামের একটি চলচ্চিত্রে মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) বিদ্রূপ করা হয়েছে অভিযোগে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই অভিযোগে মিসরে মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সর্বশেষ তিউনিসিয়ায়ও মার্কিন দূতাবাসের বাইরে একই অভিযোগে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মিসরীয় কপটিক খ্রিস্টানরা যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত ওই অপেশাদারী চলচ্চিত্রটির প্রচারণা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে, লিবিয়াতে এ হামলার পেছনে আল কায়েদার কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না তা মার্কিন কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “এটা সব ধর্মবিশ্বাসের মানুষের বিবেককে আঘাত করার মতো ঘটনা।”
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ওবামা সারা বিশ্বে মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই চলচ্চিত্রে মহানবীকে (সা.) অবমাননা করার কারণে বিশ্বব্যাপী আমেরিকা বিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২২৫ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১২
সম্পাদনা: জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর