 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
নোয়াখালী: নোয়াখালীর মাইজদী শহরে শনিবার দুপুর মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে শিবির কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে।
এঘটনায় পুলিশ ২৬ শিবিরকর্মীকে আটক করেছে।
এ সময় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নোয়াখালী প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ রাসেল সংঘর্ষের ছবি তুলতে গেলে পুলিশ লাঠিপেটা করে তার ক্যামেরা, ম্যানিব্যাগ ও দুটি মোবাইল ফোনসেট ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।পরে অন্য সাংবাদিকরা থানায় গিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
আটক শিবির কর্মীরা হলেন- রেজাউল আলম (২৫), মো. শাহাদাত হোসেন (২৪), আমির হোসেন (১৯), আইয়ূব খান (১৮), আনোয়ার হোসেন (২৫), রাফায়েতুল আলম (৩০), আরিফ আজিজ রিফাত (১৬), আবদুল কাদের (২৫), ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৭), শাহাদাত হোসেন (২২), ইসমাইল হোসেন (২৪), মাকসুদুর রহমান (২২), দেলোয়ার হোসেন (২৪), তাজ উদ্দিন (২২), জুয়েল (২২), সাইফুল ইসলাম (২৩), আমির হোসেন (২৩), আবু জাহের ও আরিফ (২৩)। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর ১২টায় শিবিরের শহর শাখার সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক নেয়ামত উল্যাহ শাকেরের নেতৃত্বে জেলা গণপূর্ত ভবন থেকে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল বের হয়।
মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে পৌরবাজারের সামনে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। এ সময় মিছিলে বাধা দিলে শিবির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে দু’পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম চৌধুরী বাংলানিউজকে জানান, শিবির বিনা অনুমতিতে ও শান্তি-শৃঙ্খলার বাইরে কাজ করায় পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশের ওপর শিবিরকর্মীরা হামলা চালায় ও পুলিশের রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
আটকদের বিরুদ্ধে একটি মামলার প্রস্ততি চলছে বলেও জানান ওসি।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১১ ঘণ্টা, জুলাই ২১, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর