ঢাকা: মহানগরী ঢাকাতে সংসদীয় আসন ৮টি করার পক্ষে নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো জাবেদ আলী।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিমত দেন।
তিনি বলেন, “ঢাকায় যারা বসবাস করেন তারা সবাই ঢাকার স্থায়ী নন। ঈদের সময় ঢাকা পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে যায়। এজন্য ঢাকায় জনসংখ্যার বিবেচনায় সংসদীয় আসন নির্ধারণ করা ঠিক নয়। ২০০৮ ঢাকায় সংসদীয় আসন ৭টি বৃদ্ধি করা হয়। এ জন্য গ্রামে উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে।”
জাবেদ আলী বলেন, “১৯৭৩ সালে ঢাকা জেলার আসন ছিল ১১টি, ১৯৭৯, ৮৬, ৮৮, ৯১ ও ২০০১ সালে আসন ছিল ১৩টি। কিন্তু হঠাৎ করে ২০০৮ সালে আসন করা হয় ২০টি। এ জন্য ঢাকার ৭টি আসন বৃদ্ধি করতে গিয়ে অন্য ৭ জেলার সংসদীয় আসন কর্তন করতে হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ঢাকায় ৭টিসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, গাজীপুর ও নেত্রকোনায় আসন বৃদ্ধি করতে গিয়ে পিরোজপুর, বরিশাল, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, বরগুনা, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুর থেকে সমপরিমাণ সংসদীয় আসন কর্তন করা হয়েছে।”
ঢাকা সিটির সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেন, “জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বিন্যাস বিজ্ঞানসম্মত নয়। এটি আমার ব্যক্তিগত মত।”
তিনি বলেন, “বিগত কমিশন ঢাকা সিটির আসন জনসংখ্যার ভিত্তিতে করার কারণে ৮টি থেকে ১৫টি করতে হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না বলে প্রতীয়মান হয়। এজন্য সবক্ষেত্রে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বিন্যাস যুক্তিসঙ্গত নয়। তবে ঢাকার আসন ১০টিতে নির্দিষ্ট রাখার প্রস্তাব যুক্তিসঙ্গত ছিল।”
৪টি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেন, “শুধু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নয়, নির্বাচনকালীন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ও কৃষি মন্ত্রণালয়েরও প্রয়োজন রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪২ ঘণ্টা, আগস্ট ৭, ২০১২
আরএম/এআর/ সম্পাদনা: জাকারিয়া মন্ডল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর jewel_mazhar@yahoo.com