 |
ঢাকা: দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন আর্থিক লেনদেনও ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। টানা পতনের পর লেনদেনে গতি ফিরে আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।
প্রায় এক মাস ধরে ডিএসইর লেনদেন ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকায় অবস্থান করছে। লেনদেন শুষ্কতায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম অস্থিরতাও সৃষ্টি হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে এবং লেনদেনে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানায়। ফলে গত তিন কার্যদিবস ধরে লেনদেন বাড়তে শুরু করে এবং সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন বেড়ে দাঁড়ায় ২১১ কোটি ৪৪ লাখ ১৫ হাজার টাকায়।
এদিন ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬৭ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ২৬৯টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৯০টির, কমেছে ৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ার দর।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসা কোম্পানিগুলো হলো- ইউনাইটেড এয়ার, বিএসসিসি, ইউনিক হোটেল, জেনারেশন নেক্সট, ডেল্টা স্পিনিং, বেক্সিমকো, আরএন স্পিনিং, গ্রামীণ ফোন, এনভয় টেক্সটাইল ও এনবিএল।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসা কোম্পানিগুলো হলো-পূরবী জেনারেল, ডেল্টা স্পিনার্স, এনসিসি ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, ম্যাকসন স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, আরামিট সিমেন্ট, অগ্নি সিস্টেম ও তাল্লু স্পিনিং।
দর কমার শীর্ষে উঠে আসা কোম্পানিগুলো হলো- নর্দান ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট বিএসআরএস, রহিম টেক্সটাইল, ম্যারিকো, ৫ম আইসিবি, রেনউইক যজ্ঞেস্বর, মেঘনা সিমেন্ট, সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট, এ্যাপেক্স ফুড ও এ্যাপেক্স ট্যানারি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭২৯ পয়েন্টে। এদিন মোট আর্থিক লেনদেন হয় ২৬ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া ১৮২টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৪ ঘণ্টা, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৩
জেএনএ/সম্পাদনা: জনি সাহা, নিউজরুম এডিটর; নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর