 |
কিয়েভ: কঠোর অনুশীলন ও মাঠের লড়াই সবই বৃথা গেছে সুইডেনের! ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বে সুবিধা করতে পারেনি তারা। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয়টিতেও হেরেছে। খেলায় ৩-২ গোলে জিতে ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথ সুগম হলেও বিদায় নিয়েছে সুইডিশরা।
খেলায় বল দখলের লড়াইয়ে আধিপত্য ছিলো ইংল্যান্ডের। প্রথমার্ধে ৫৫ শতাংশ বল ছিলো তাদের পায়ে। এ অর্ধে ইংলিশদের সঙ্গে পেরে উঠেনি সুইডেন। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায় রয় হজসনের দল। স্টিভেন জেরার্ডের উড়ন্ত শটে মাথা ছুঁয়ে নিশানাভেদ করেন ফরোয়ার্ড আন্ড্র ক্যারল।
ইংলিশদের আক্রমণে কোণঠাসা সুইডেন সুবিধা করতে পারেনি এ অর্ধে। যদিও এসি মিলান তারকা ইব্রাহিমোভিচ নেন বেশকয়েকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট। হজসনের শিষ্যরাও সুযোগের ব্যবহার করতে পারেননি। এ অর্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।
বিরতির পর চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। আগের অর্ধে একতরফা খেলা ইংলিশরা প্রচন্ড ধাক্কা খায়। তাদের রক্ষণের ভুলে খেলায় ফিরে সুইডেন। ৪৯ মিনিটে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন জনসন। তার আত্মঘাতী গোলের সুবাদে আত্মবিশ্বাসের ট্যাঙ্কে বাড়তি জ্বালানীর যোগান পায় সুইডেন। ৫৯ মিনিটে এগিয়ে যায় সুইডিশরা। হেডে গোল করেন মেলবার্গ।
পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ইংল্যান্ড। ৬৪ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান ওয়ালকট। একক প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড। ৭৭ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করেন সুইডিশ উইঙ্গার ইব্রাহিমোভিচ। তার জোড়ালো শট দারুণভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক জো হার্ট।
প্রতিযোগিতায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে সুযোগ নষ্ট করেননি ওয়েলবেক। ওয়ালকটের ঠেলে দেওয়া বলে গোল করেন তিনি। বাকি সময় গোল হয়নি। তাই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রুনিহীন ইংল্যান্ড। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার জন্য দশর্ক সারিতে বসেই দলের খেলা উপভোগ করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড।
এ জয়ে দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে একই পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে ফ্রান্স। তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে স্বাগতিক ইউক্রেন। এছাড়া কোনো ম্যাচে না জেতায় তালিকার তলানীতে আছে সুইডেন।
বাংলাদেশ সময়: ০২৫৭ ঘণ্টা, জুন ১৬, ২০১২
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর