ফরিদপুর: ফরিদপুরে পারিবারিক শ্মশানে শবদেহ দাহ করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভাঙ্গা উপজেলার চণ্ডিদাসদী গ্রামের জয়দেব দাস।
লিখিত অভিযোগে জয়দেব দাস বলেন, গত ১৪ নভেম্বর আমার বড় ভাই প্রকৌশলী (অব.) ভোলানাথ দাস ঢাকায় মারা যান। তাকে দাহ করার জন্য গত ১৭ নভেম্বর চণ্ডিদাসদী গ্রামের পারিবারিক শ্মশানে আনা হয়। কিন্তু পাশের সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে বসবাসকারী মো. সাইফুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা বেগম দাহ করতে বাধা দেয়।
চার ঘণ্টা পর উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রসহ সর্বস্তরের লোকের সহায়তায় শবদেহের দাহ কাজ করা সম্পন্ন করা হয়। পরে জাহানারা বেগম হুমকি দিয়ে বলেন, ‘ওই শ্মশানে আগামীতে কীভাবে দাহ করা হয় তা দেখে নেবো’।
সংবাদ সম্মেলনে জয়দেব দাসের বোন ফরিদপুর জিলা স্কুলের মানবিক বিভাগের শিক্ষক কুন্তলা রাণী দাস ও তাঁর স্বামী বিকাশ চন্দ্র সরকার উপস্থিত ছিলেন।
ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান সুধীন সরকার বাংলানিউজকে জানান, চণ্ডিদাসদী মৌজার ৩ শতাংশ জমির ওপর স্থাপিত ওই পারিবারিক শ্মশানটি শতবর্ষের পুরনো। জাহানারা বেগমের স্বামী মো. সাইফুল ইসলাম একজন অবৈধ দখলদার। তিনি ওই পারিবারিক শ্মশানের ভাঙ্গা-আলগী সড়কে শ্মশানের বিপরীত পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় অবৈধভাবে সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন।
এদিকে, পারিবারিক শ্মশানে দাহ করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ অভিযোগ ঠিক নয়। অভিযোগ ঠিক হলে পুলিশের কাছে বা আদালতে মামলা করা হচ্ছে না কেন?”
বাংলাদেশ সময়: ২১৩৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৫, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর