 |
ঢাকা: প্রায় এক মাসের ব্যবধানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শীর্ষ পদে আবারও রদবদল হয়েছে। এবারও গুরুত্বপূর্ণ পদে করা হয়েছে শাস্তিমূলক বদলি। এর আগে, গত ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সে মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ (ডিজিএম) উচ্চ পদস্থ ১০টি পদে রববদল আনা হয়েছিল।
বিমান সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে বিমানের পরিচালক (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) মো. শাহনেওয়াজকে কাস্টমার সার্ভিস বিভাগে বদলি করা হয়েছে। মো. শাহনেওয়াজ মার্কেটিং ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক হওয়া সত্ত্বেও তাকে ডাম্পিং পোস্টিং হিসেবে বদলি করা হয়েছে কাস্টমার সার্ভিসে।
অন্যদিকে, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং ক্রয় ও সংগ্রহ পরিচালক মোসাদ্দেক আহমেদ নিজে এবার ক্রয় ও সংগ্রহ পরিচালক থেকে মার্কেটিং এন্ড সেলস বিভাগের পরিচালক পদে বদলি হয়েছেন। অথচ তিনি মার্কেটিং ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক নন।
আবার কাস্টমার সার্ভিস পরিচালক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরীকে বদলি করা হয়েছে পরিকল্পনা পরিচালক বিভাগে। ক্রয় ও সংগ্রহ পরিচালক মোসাদ্দেক আহমেদ মার্কেটিংয়ে বদলি হওয়ায় ওই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হয়েছেন শফিকুর রহমান।
বিমানের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আহমেদের নির্দেশেই বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোসাদ্দেক আহমেদ এই রদবদলে সই করেন।
খুব শিগগিরই এ রদবদল কার্যকর হবে বলে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাক্ষরিত ওই কাগজে বলা হয়।
এর আগে, গত ২০ ডিসেম্বর একযোগে ১০টি উচ্চ পদে যে রদবদল করা হয়েছিল, সেটাও ছিল একই ধরনের শাস্তিমূলক রদবদল।
এ ধরনের উদাহরণ আগে বিমানে ছিল না। জানা গেছে, বিমানের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আহমেদ কয়েক মাস আগেই গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা ছিলেন তাদেরকে শাস্তিমূলক বদলির পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। সে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের জিএম (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) শফিকুর রহমানকে স্টোর অ্যান্ড পারচেজ বিভাগের জিএম পদে বদলি করা হয়। শফিকুর রহমান মার্কেটিং থেকে আসা কর্মকর্তা। তিনি মার্কেটিং বিভাগেই বিমানে চাকরি নিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৮১৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৭, ২০১৩
আইএইচ/সম্পাদনা: আসিফ আজিজ, নিউজরুম এডিটর; নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর