 |
ঢাকা: “উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কিংবা না হওয়ার বিষয়ে আমি এখনোও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। সিদ্ধান্ত হলেই জানানো হবে।”
গাজীপুর-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে ভাই সোহেল তাজের ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থী হওয়া-না-হওয়া বিষয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী `বঙ্গতাজ` তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি বাংলানিউজকে একথা জানান।
গাজীপুর-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সূত্রে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে বাংলানিউজকে রিমি বলেন, ‘‘জাতীয় সংসদের গাজীপুর-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে সম্ভাব্য সব প্রার্থী মিলে আমাকে প্রার্থী হতে অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে প্রার্থী হওয়া কিংবা না হওয়ার বিষয়ে আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। সিদ্ধান্ত হলেই জানানো হবে। এই মুহুর্তে গণমাধ্যমকে এর বেশি কিছু জানাতে চাই না।”
অপরদিকে, সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করা তাজউদ্দীনতনয় ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত উপ-নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আমানত হোসেন খান বাংলানিউজকে বলেন, ‘‘আগামীকাল (রোববার) রিমি আপার সঙ্গে সম্ভাব্য সব প্রার্থীর এক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকেই প্রার্থিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তবে তিনিই (রিমি) যে গাজীপুর-৪ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এটা অনেকটাই নিশ্চিত।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘আজ (শনিবার) বিকেলে রিমি আপার সমর্থনে কাপাসিয়া আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে মিটিং-মিছিল করা হবে।’’
কাপাসিয়ার রাজনৈতিক মহলও মনে করছেন, কেউ কেউ অন্য কারও নাম আলোচনায় আনার চেষ্টা করলেও আসলে তাদের কেউ নন, রিমিই গাজীপুর-৪ আসনে মহাজোট প্রার্থী হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজকে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী করে। এরপর ২০০৯ সালের ৩১ জুন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ঐ সময় সোহেল তাজের মান ভাঙানোর জন্য দফায় দফায় চেষ্টা করা হয় সরকার ও দলের পক্ষ থেকে। কিন্তু এতা কিছু সত্ত্বেও জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবেও তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। অধিকাংশ সময়ই তিনি দেশের বাইরে (যুক্তরাষ্ট্রে) কাটিয়েছেন। পরে অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুকে দায়িত্ব দিয়ে সোহেল তাজকে দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাখা হয়।
এরপর গত ২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফ্যাক্সযোগে সংসদ সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। তার ব্যক্তিগত সহকারী পদত্যাগপত্র স্পিকারের দপ্তরে দিয়ে জমা দেন। কিন্তু সে পদত্যাগপত্রও গৃহীত হয়নি। তবে শনিবার (০৭ জুলাই) সশরীরে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দেন সোহেল তাজ।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৪ ঘণ্টা, ২৫ আগস্ট, ২০১২
এআই/সম্পাদনা: আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর
jewel_mazhar@yahoo.com