 |
এটিএন বাংলায় শিগগিরই প্রচার শুরু হতে যাচ্ছে প্রখ্যাত উপন্যাসিক সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস অবলম্বনে ধারাবাহিক নাটক ‘ ছায়াবৃতা’। উপন্যাসিক সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস নিয়ে এটিএন বাংলায় এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত ধারাবাহিক নির্মিত হল। এর আগে এটিএন বাংলায় ম. হামিদের পরিচালনায় সমরেশ মজুমদারের ‘দায়বন্ধন ’নাটক প্রচারিত হয়। ধারাবাহিকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন শফিকুর রহমান শান্তনু ও সোহান খান। এইচ এম ইব্রাহীমের নির্বাহী প্রযোজনায় ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি ‘নিউইয়র্ক থিয়েটার অব আমেরিকা’র এ ইপ্রজন্মের কিছু উদীয়মান বাঙালি নাট্যশিল্পী।
১২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় ওয়াসা ভবনস্থ এটিএন বাংলার ২ নম্বর স্টুডিওতে নাটকটির প্রিমিয়ার শো’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত উপন্যাসিক সমরেশ মজুমদার, ধারাবাহিকটির নির্বাহী প্রযোজক এইচ এম ইব্রাহীম এবং অনুষ্ঠান বিভাগের উপদেষ্টা নওয়াজিশ আলী খান।
‘ছায়াবৃতা’ ধারাবাহিকটির প্রিমিয়ার শো উপলক্ষে বাংলাদেশে এসেছেন কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার। তিনি বলেন, ‘ উপন্যাস এবং নাটক দুটি আলাদা মাধ্যম। উপন্যাসকে নাটকে রুপান্তর করা খুব সহজসাধ্য না। তবে মূলভাব ঠিক রেখে যদি নাট্যরুপ দেওয়া যায় সেক্ষেত্রে সুন্দর এবং সফল একটি নাটক বেরিয়ে আসতে পারে। আমি আশা করব এটিএন বাংলা আরো সুন্দর এবং নন্দিত উপন্যাস নিয়ে ধারাবাহিক নাটক করার এমন উদ্যোগ নেবেন ’। তিনি নাটকটির সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠান বিভাগের উপদেষ্টা নওয়াজেশ আলী খান ‘ছায়াবৃতা’ ধারাবাহিক নাটকটি নির্মাণের ক্ষেত্রে সাউন্ড এবং লাইট ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আশা করব তৌকির এই বিষয়গুলো পরবর্তীতে খেয়াল রাখবেন।
নওয়াজেশ আলী খানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধান অতিথি ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘দেশ এবং বিদেশের শ্যুটিং এর মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। বিদেশে শ্যুটিং এর খরচ কমানোর জন্য লোকবল কম নেওয়া হয় সেজন্য অভিনেতাদেরই সাউন্ড, লাইট এসব নিয়ে কাজ করতে হয়। তারপরেও তিনি পরিচালক তৌকির আহমেদকে ধন্যবাদ জানান অনেক বাধার পরেও সুন্দর একটি কাজ উপহার দেওয়ার জন্যে। তিনি আশ্বাস দেন এটিএন বাংলা সবসময়ই ভাল জিনিসের সাথে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে’।
পরিচালক তৌকির আহমেদ বলেন, ‘উপন্যাসকে ঠিক রেখে নাটকটি আমাদের প্রেক্ষাপটে নির্মিত করেছি। এখানে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ব্যবধান, মূল্যবোধের পার্থক্য খুব সুন্দর করে দেখানো হয়েছে। তিনি আশা করেন নাটকটি সব শ্রেণীর দর্শকদের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে’।
বাংলাদেশ সময় ১৯১৫, এপ্রিল ১৩, ২০১২
সম্পাদনা : অনন্যা আশরাফ, নিউজরুম এডিটর