সিলেট: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ছাত্রশিবিরের শাহপরাণ হল সভাপতি মুহিবুল্লাহকে আটক করেছে র্যাব-৯।
এসময় তার কাছ থেকে বেশকিছু বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব।
শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে র্যাব-৯ এর একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে ধামালিপাড়া এলাকার বনলতা মেসে অভিযান চালিয়ে মুহিবুল্লাহকে আটক করে।
পরে তাকে র্যাব দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
আটক শিবির নেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স ১ম বর্ষের ১ম সেমিস্টারের ছাত্র।
মুহিবুল্লাহ শিবিরের শাহপরাণ হল শাখার সভাপতি ও সংগঠনের পরামর্শ সভার সদস্য বলে জানা গেছে।
শাবির প্রক্টর ড. হিমাদ্রী শেখর রায় বাংলানিউজকে বলেন, ‘মুহিবুল্লাহকে আটক করার খবর শুনেছি। তবে তাকে ঠিক কি কারণে আটক করা হয়েছে তা আমার জানা নেই।’
এ ব্যাপারে র্যাব-৯ সিলেট মিডিয়া উইং শনিবার বেলা দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানায়, তার কাছ থেকে একটি বড় ছোড়া, ২২ টি ফলাযুক্ত তীর, একটি রেত, ২৭ টি পেরেক (লোহা), তীরের পশ্চাতভাগে ব্যবহৃত ‘ভি’ চিহ্নিত কাগজের টুকরো ৩২ টি, ১৮৫ টি মার্বেল, গুলাল (গুলতি) উদ্ধার করা হয়েছে।
মুহিবুল্লাহ পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার ট্যারা গ্রামের মাওলানা সিরাজুল ইসলামের পুত্র।
র্যাব আরো জানায়, আটক মুহিবুল্লাহ একজন অস্ত্র প্রশিক্ষক। রোববার ডাকা হরতালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য উলে¬খিত দেশীয় অস্ত্রগুলো তৈরি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হোসাইন আহমেদ জানান, মধ্যরাতে মুহিবুল্লাহকে কোনো কারণ ছাড়াই র্যাব আটক করেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম দীপু জানান, র্যাব দাবি করছে ওই শিক্ষার্থীর কাছে অস্ত্র পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে তিনি উলে¬খ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১০১০ ঘণ্টা, এপ্রিল ২১, ২০১২
এসএ
সম্পাদনা: কাজল কেয়া, নিউজরুম এডিটর;আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর