 |
ঢাকা: লিবিয়ার নবনির্বাচিত জাতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মাগারিফ। কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির চার দশকের স্বৈরশাসনের পতনের পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত লিবিয়ার প্রথম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় কংগ্রেসে ভোটাভুটিতে মাগারিফ ১১৩টি ভোট পান। অপর দিকে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী আলি জিদান পান ৮৫ ভোট। প্রথম দফায় কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হয়।
গাদ্দাফি আমলের বিরোধী নেতা মাগারিফ একজন মধ্যপন্থি ইসলামপন্থি হিসেবে পরিচিত। ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টির এ নেতা এখন থেকে ২০০ সদস্যের কংগ্রেসের নেতৃত্ব দেবেন।
গণতন্ত্রের পথে শুভযাত্রার দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করল লিবিয়া। এবার এই নির্বাচিত কংগ্রেসের পরবর্তী কাজ একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, মন্ত্রিসভা গঠন এবং গ্রহণযোগ্য সংবিধান প্রণয়ন করা। এই খসড়া সংবিধান প্রণয়নের পর আগামী বছর সে মোতাবেক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে পর্যন্ত এ সংসদ কার্যকর থাকবে।
তিউনিসিয়া, মিশসের গণবিপ্লবের ধারাবাহিকতায় এবার লিবিয়াতেও ইসলামপন্থি দল ও দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ শাসন ক্ষমতায় এল। অবশ্য মধ্যপন্থি ইসলামপন্থি নেতা মাগারিফ লিবিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও তার ক্ষমতা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
১৯৮০’র দশকে নির্বাসিত একজন বিচক্ষণ কূটনীতিক মাগারিফ লিবিয়াতে সবচেয়ে পুরনো বিরোধী আন্দোলন- ন্যাশনাল ফ্রন্ট ফর দ্য স্যালভেশন অব লিবিয়ার একজন প্রথম সারির নেতা। কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতা থেকে হটাতে এ সংগঠনটি একাধিকবার চেষ্টা করেছে।
মাগারিফের বর্তামান দল ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টি সেই আন্দোলনেরই একটি অংশ। গত ৭ জুলাইয়ের জাতীয় কংগ্রেস নির্বাচনে এ দলটি তিনটি আসনে জয় পেয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ১০, ২০১২
সম্পাদনা: জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর