 |
রিয়াদ: উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার অধীনে দেশের বাইরে সৌদি আরবের দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্টা. স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বাংলা মাধ্যম) রিয়াদ এবং জেদ্দা শাখা সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে।
বাংলাদেশ ইন্টা. স্কুল রিয়াদ (বাংলা মাধ্যম) থেকে এবার মোট পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৫২জন ছাত্র ছাত্রী। এর মধ্যে নিয়মিত ৪৬জন এবং অনিয়মিত ৬জন। এরমধ্যে ছাত্র ২৪ জন ছাত্রী ২৮জন।
রিয়াদের এই ৫২জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে পাশ করেছে ৪৮জন। এখানে পাশের হার ৯২শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬জন। তারা সবাই বিজ্ঞান বিভাগের।
এদিকে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশ ইন্টা.স্কুল অ্যান্ড কলেজ (বাংলা মাধ্যম) জেদ্দা শাখায় শতভাগ ছাত্র-ছাত্রী পাশ করেছে অর্থাৎ ৫৬জন মোট পরিক্ষার্থীর সবাই পাশ করেছে। এর মধ্যে ছাত্র-২৭জন এবং ছাত্রী-২৯ ছিল জন। জিপিএ৫ পেয়েছে ১৩জন। এ গ্রেড পেয়েছে ২৮জন এ-গ্রেড ১২জন এবং বি গ্রেড পেয়েছে ৩জন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯জন মানবিক বিভাগ থেকে ৩জন এবং বাণিজ্য বিভাগ থেকে ৪জন ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রিয়াদ শাখার প্রিন্সিপাল বদরুল আলম বাংলানিউজকে জানান, এবারের ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠার ফলেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি জানান।
জেদ্দা ইন্টা. স্কুল (বাংলা মাধ্যম) প্রিন্সিপাল রফিকুল ইসলাম ফারুক তার স্কুলের শতভাগ পাশের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলানিউজকে বলেন, “আমাদের আজকের ফলাফল ধারাবাহিক সাফল্যেরই বহিঃপ্রকাশ।” তাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সৌদি সরকার যদি ১৮ বছরের বেশি প্রবাসীদের সন্তানদের দেশে পাঠিয়ে দেয়ার নিয়মটি প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে শিক্ষার মান আরো উন্নত করা সম্ভব। এবং এক্ষেত্রে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা শূণ্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে মনে করেন রফিকুল ইসলাম ফারুক।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৪ ঘণ্টা, ১৮ জুলাই, ২০১২
সম্পাদনা: আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর