 |
ঢাকা: ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পঞ্চম প্রতিষ্ঠবার্ষিকী পালিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরে বিমান পরিবহন খাতে ফ্লাইট সিডিউল, সেবা ও নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্র্যান্ড পরিচিতি লাভ করেছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
‘ফ্লাই ইওর ওন এয়ারলাইন’ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বিগত পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রুটে সিংহভাগ মার্কেট শেয়ারের অংশীদার।
২০০৭ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ঢাকা থেকে সিলেটে উদ্বোধনী ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একমাত্র বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বর্তমানে ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুট জেদ্দা, দুবাই, মাস্কাট, কুয়ালালামপুর, কাঠমান্ডু ও কলকাতা এবং চট্টগ্রাম থেকে মাস্কাট ও কলকাতা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
এছাড়া ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুট ছাড়াও অভ্যন্তরীণ সকল রুটে যেমন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বহরে বর্তমানে রয়েছে দু’টি ড্যাশ-৮-১০০, দু’টি এটিআর-৭২, তিনটি এমডি-৮৩ এবং দু’টি এয়ারবাস-৩১০ সহ মোট নয়টি উড়োজাহাজ। এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে যুক্তরাজ্যের তৈরি ১৮ আসনের ৪টি জেটস্ট্রিম উড়োজাহাজ ইউনাইটেডের বিমানবহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে যা দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটের অব্যবহৃত বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হবে।
এ বছরের আগস্ট মাসে আন্তর্জাতিক গন্তব্য ঢাকা-ব্যাংকক এবং অভ্যন্তরীণ গন্তব্য ঢাকা-বরিশাল রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া এ বছরের মধ্যে ঢাকা-দোহা, ঢাকা-করাচি, ঢাকা-ইয়াংগুন রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের। নিকট ভবিষ্যতে রিয়াদ, দাম্মাম, আবুধাবী, সিংগাপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে ইউনাইটেড।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দঘন মূহুর্তে বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। আমাদের বিমানবহরে অধিক সংখ্যক আধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত করে চলেছি। বহরে অধিক সংখ্যক উড়োজাহাজ ও অধিক গন্তব্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে আমরা সকলেই আনন্দিত ও গর্বিত।”
বাংলাদেশ সময়: ০২২৫ ঘন্টা, জুলাই ১৪, ২০১২
আইএইচ/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর