[x]
[x]
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৭ জুলাই ২০১৮

bangla news

৪ মাসে ১৮শ' মামলা, ৬৫ লাখ ‍টাকা জরিমানা

মিজানুর রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৭-১০ ৯:৪০:৩৬ পিএম
চার মাসে ৫৭৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

চার মাসে ৫৭৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

চট্টগ্রাম: নগরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। মার্চ থেকে জুন- অর্থবছরের শেষ এ চার মাসেই ৫৭৬টি অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

এসব অভিযানে ভোক্তা অধিকার, মোটরযান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন আইন লঙ্ঘন এবং ইভটিজিংয়ের দায়ে ১ হাজার ৮৪৯টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৬৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩০ টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ২৩৪ জনকে।

জেলা প্রশাসনের জেএম (জুডিসিয়াল মুন্সিখানা) সেকশনের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী চার মাসে ভোক্তা অধিকার আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে ১৬০টি। এসব অভিযানে ৬০৭টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ২৫ লাখ ৬১ হাজার ১৩০ টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন মেয়াদে করাদণ্ড দেওয়া হয় ৯ জনকে।

একই সময়ে মোটরযান আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪৮টি অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১০৭টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ১০০ টাকা।

ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে চার মাসে জেলা প্রশাসন ৯টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৮টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ৩০ হাজার টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন মেয়াদে করাদণ্ড দেওয়া হয় ৬ জনকে।

একই সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১১৫টি অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ৩৯১টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ২ লাখ ২৯ হাজার ৯০০ টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন মেয়াদে করাদণ্ড দেওয়া হয় ১৮৯ জনকে।

অন্যদিকে এ সময়ে বিভিন্ন আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আরও ২৪১টি অভিযান পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ৭২৮টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ৩৫ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন মেয়াদে করাদণ্ড দেওয়া হয় ৩০ জনকে।

জুলাই মাসের প্রথম ৮ দিনে অগ্নিনির্বাপক আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২টি অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৭টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় করা হয় ১১ হাজার টাকা।

জেএম সেকশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার নাঈমা ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশনা দেন।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ভেজাল ও বাসি খাবার, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, মাদকের বিস্তার, অবৈধ মোটরযান চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। যোগ করেন নাঈমা ইসলাম।

জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর পরেই চট্টগ্রামে জীবনযাত্রার মান আরও বাড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি। এসব উদ্যোগের অংশ হিসেবে নানা অনিয়ম রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

তিনি বলেন, ইভটিজিং, ভেজাল খাদ্য, মাদক, দ্রব্যমূল্যেরে ঊর্ধ্বগতিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে চট্টগ্রামে অগ্নিনির্বাপক আইন বাস্তবায়ন এবং নিরাপদ শিশু খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, জুলাই ১০, ২০১৮
এমআর/টিসি

 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa