[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭

bangla news

আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা শুরু হচ্ছে শনিবার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-১২-০৭ ৪:০২:০৫ পিএম
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: দেশীয় পণ্যের প্রদর্শন ও বিপণনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা।

নগরীর আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে তিনদিন ব্যাপি এ মেলার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। আগামী শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে মেলার উদ্বোধন করবেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ-জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এম এ লতিফ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মেলা আয়োজক কমিটির কো-কনভেনার সৈয়দ জামাল আহমেদ।  

এসএমই খাতকে যে কোন দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি আখ্যায়িত করে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, চীন, জাপানসহ অনেক উন্নত দেশ এসএমই খাতে সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে এ খাতের যথেষ্ট অবদান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের পণ্য সম্পর্কে ভোক্তাদের অবহিতকরণ, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্যের সঙ্গে নিজেদের পণ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ, মান উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ, ভারী শিল্পের পশ্চাদ সংযোগ উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, এবং এসএমই অর্থায়ন সম্পর্কে ধারণা দিতে এ মেলার আয়োজন।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অগ্রগতি হলে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাবে উল্লেখ করে মাহবুবুল আলম বলেন, এজন্য এসএমই দরকার। কারণ ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের যে ঋণ সুবিধা দিচ্ছে তা অনেকেই জানে না। এ মেলার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়বে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম হবে দেশের অর্থনৈতিক হাব। তাই চেম্বার এক থেকে দুই মাস পরপর বিভিন্ন ধরনের মেলার আয়োজন করবে। ব্যবসায়ীক কোন উদ্দেশ্যে নয়, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যাতে বিকশিত হয়। 

নানা সংকটের কারণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকশিত হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, জমির দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকটের কারণে এখানে বিকশিত হওয়ার বিপরীতে উল্টো যেগুলো ছিল সেগুলো ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছে। অথচ এখানে এ শিল্পের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসএমই মেলায় কৃষিজাত ও চামড়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প, প্লাস্টিক, অটোমোবাইলস, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্যাবল এন্ড ওয়্যার, মেটাল সিকিউরিটি প্রোডাক্টস, স্টিল, বুটিক, হারবাল কসমেটিকস, কৃষি যন্ত্রপাতি, জুয়েলারি, পর্যটন, হজ্ব প্যাকেজ, আইটি, পলিপ্যাক গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, খাদ্য, অফিস ইক্যুইপম্যান্ট, বিল্ডিং ডিজাইন এবং এসএমই ফাইন্যান্সিং খাতের উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছে।  

মেলার মাধ্যমে দর্শনার্থীরা নানাবিধ পণ্য সম্পর্কে অবগত হওয়ার পাশাপাশি তরুণ উদ্যোক্তারা এ সেক্টরে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, মেলায় দেশের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যাংকগুলো অংশ নিচ্ছে। ব্যাংকগুলো এসএমই অর্থায়ন ও সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করবেন।

মেলাকে প্রাইম ও জেনারেল জোনে ভাগ করা হয়েছে জানিয়ে সৈয়দ জামাল জানান, প্রাইম জোনে ২৪ এবং জেনারেল জোনে ৩৪টি স্টল থাকছে। পণ্য ও সেবা খাতে মোট ৩০ টির অধিক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে চেম্বার পরিচালক অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), এম এ মোতালেব, অঞ্চন শেখর দাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৪ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৭

এমইউ/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Alexa