banglanews24.com lifestyle logo
 
 

বৃষ্টিতে বান্দরবান

এস বাসু দাশ

সবুজ পাহাড়ের মেঘের আড়ালে হারিয়ে যেতে নেই মানা। বৃষ্টির সময় প্রকৃতি যেন তার সবটুকু রূপ ঢেলে দিয়েছে, বান্দরবানে। সবুজ গালিচার ওপর আপনার আগমণে যোগ হবে ভিন্ন মাত্রা।

এই বর্ষায় এক ভিন্ন রূপেই দেখা যায় এ পর্যটন শহরকে। আমাদের দেশের ভ্রমণ পিয়াসুরা ভ্রমণের জন্য শীত মৌসুমকে বেছে নিলেও হয়ত অনেকেই জানেন না বৃষ্টির সময়ে পাহাড় ঘেরা জেলাটি যেন একটি সবুজ কার্পেটের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। যেদিকে দু’চোখ যাবে সবুজে সবুজে বর্নিল এক নতুন সাজে ধরা দেবে আপনার কাছে। 

অবিরাম বর্ষণের জলধারার পরশে পাহাড়ের বৃক্ষরাজি নব যৌবন লাভ করে। মেঘ আর পাহাড়ের সম্পর্কের কথা তো নতুন করে বলার কিছুই নেই। তবুও বলতে হয়, পাহাড়ের সাথে আকাশের সারি সারি মেঘ-ভেলার সর্ম্পকের নতুন মাত্রা এনে দেয় এই বৃষ্টির সময়।

এছাড়া চিম্বুক আর নীলগিরির ওপর দাঁড়িয়ে মেঘ স্পর্শ করার ইচ্ছে হলে আপনাকে অবশ্যই ভ্রমণের জন্য বেছে নিতে হবে বান্দরবানকে।

নিশ্চয় মন চাইছে মেঘের সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে। তবে আর দেরি কেন, জীবনের ছক থেকে বেরিয়ে হারিয়ে যেতে পারেন নীলাচলের মেঘে ঢাকা পাহাড়ে, মেঘলা লেকের স্বচ্ছ জলে, ভাসাতে পারেন ডিঙ্গি নৌকা অথবা ঘুরে আসতে পারেন চিম্বুক পাহাড়ের ম্রো আদিবাসীদের গ্রামে। 

শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে দেখতে পাবেন মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে আর ১৮শ’ ফিট উঁচু নীলাচল থেকে সবুজের চাদরে ঢাকা বান্দরবানকে। বান্দরবান-চিম্বুক রোডের ৮ কিলোমিটারে রয়েছে পাহাড়ি ঝর্ণা শৈলপ্রপাত। ঝর্ণা থেকে গড়িয়ে পড়া জলরাশির স্রোতের কারনে বিপদজনক হয়ে ওঠা ঝর্নায় না নামাই ভালো।

২৬ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বাংলার দার্জিলিংখ্যাত চিম্বুক পাহাড়।পাহাড়টিতে না উঠলে বান্দরবান ভ্রমণের মূল আনন্দই অধরা থেকে যাবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা ভারতের দার্জিলিংয়ে বেড়াতে যান। অথচ পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ সুবিধা বাড়ালে এবং জেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো আরও উন্নত করা গেলে আমাদের বান্দরবানের সৌন্দর্য ভারতের দার্জিলিংকেও হার মানাবে।

লেখা ও মতামতের জন্য লাইফস্টাইল ডেস্ক মেইল: lifestyle.bn24@gmail.com

comments powered by Disqus
Bookmark and Share
 
© 2014, All right ® reserve by banglanews24.com