আইন ও মানবাধিকার
আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোন রকমের বৈষম্য ছাড়াই সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদন বই পরিচিতি সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত যেকোন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত, মন্তব্য ও প্রশ্ন পাঠিয়ে দিন-

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ humanrights@banglanews24.com

আপনার মতামত দিন

নাম:
ইমেইল:
মন্তব্য:

শব্দ দূষণ: বিধি ও বাস্তবতা



শব্দ দূষণ রোধে আইন থাকলেও সে আইনের প্রয়োগ নেই। শব্দ দূষণের কারণে নগরবাসী আজ মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। ক্রমেই অসহনীয় হয়ে ঊঠছে শব্দ দূষণের মাত্রা।তার পরও জনগণের মাঝে এ নিয়ে কোনো সচেতনতা লক্ষ্য করা যায়না। কর্তৃপক্ষেরও নজরদারিতে নেই শব্দ দূষণের মতো ক্ষতিকর এ বিষয়টি।

শব্দ দূষণ রোধে বিধিমালা থাকলেও সেই তার কোনো রয়োগ নেই। ২০০৬ সালে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ)বিধিমালা প্রণয়ন করে। এর আলোকে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়।

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রনে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, রাজউক ও অন্যান্য বিশেষ এলাকার জন্য পৃথক শব্দ মাত্রা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। সেই সাথে এ সব এলাকায় শব্দের মান মাত্রা কত হবে সে বিষয়েও লিখিত সাইনবোর্ড বা নির্দেশনা রাখা কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দেশের খুব কম সংখ্যক এলাকাতেই এরকম এলাকা নির্দেশক সাইনবোর্ড বা স্মারক দেখা যায়। এছাড়া পৃথক এলাকাও নির্ধারণ করা হয় না। আবাসিক এলাকায় গড়ে তোলা হয় মিল কারখানা। শিক্ষা ও অফিস-আদালত এলাকায় গড়ে তোলা হয় চিকিৱসাকেন্দ্র। ফলে পৃথক শব্দ মাত্রা নির্ধারণ করা ও মেনে চলাও কঠিন বা প্রায় অসম্ভব। 

বিভিন্ন ধরনের এলাকার জন্য বিভিন্ন শব্দমাত্রা এ বিধিমালায় বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর বিভিন্ন এলাকার জন্য নির্ধারিত শব্দ মাত্রা পরীক্ষা করার জন্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারবে।

এলাকার শেণী

মানমাত্রা ডিসিবল dB(A)Leq এককে

 

দিন

রাত

নীরব এলাকা

৫০

৪০

আবাসিক এলাকা

৫৫

৪৫

মিশ্র এলাকা

৬০

৫০

বাণিজ্যিক এলাকা

৭০

৬০

শিল্প এলাকা

৭৫

৭০

এছাড়া যানবাহনের জন্যও নির্দিষ্ট শব্দ মাত্রার হর্ণ ব্যবহারের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে খুব কম সংখ্যক যানবাহনই এ নির্দেশ মেনে চলে। কে কতটা বিকট শব্দের হর্ণ ব্যবহার করতে পারে রাস্তায় যেন তারই মহরা চলে। তদুপরি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনে হর্ণ বাজানো হয়।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধে সরকার তথা জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই সচেতন হলেই শব্দ দূষণ রোধ করা সম্ভব হবে।


 
     
     
     
 

 

৫০

বাণিজ্যিক এলাকা

৭০

৬০

শিল্প এলাকা

৭৫

৭০

 

23 May 2013   02:26:54 AM   Thursday
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার আইন-উপদেশ বিশেষ প্রতিবেদন বিচারের বানী বই পরিচিতি পাঠক ফোরাম সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
মানবাধিকার ডেস্ক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ইমেইল: humanrights@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম      এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
© 2014 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত      একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান