আইন ও মানবাধিকার
আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোন রকমের বৈষম্য ছাড়াই সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদন বই পরিচিতি সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত যেকোন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত, মন্তব্য ও প্রশ্ন পাঠিয়ে দিন-

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ humanrights@banglanews24.com

আপনার মতামত দিন

নাম:
ইমেইল:
মন্তব্য:

মৌলিক অধিকার কীভাবে বলবৎ করা যায়



কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে আদালতের মাধ্যম তা বলবৎ করা যায়। মূলত মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্যটিও এখানেই নিহিত। মৌলিক অধিকার আদালতের মাধ্যমে প্রয়োগ করা যায়। সংবিধানের মাধ্যমে স্বীকৃতি অধিকারই মৌলিক অধিকার। রাষ্ট্র এসব অধিকারের নিশ্চয়তা দান করে।

অন্যদিকে মানবাধিকার আরো বিস্তৃত। সব মানবাধিকার মৌলিক অধিকার নয়। তাই সব মানবাধিকার আদালতের মাধ্যমে প্রয়োগ করা যায়না । যেসব মানবাধিকার রাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ও আদালতের মাধ্যমে প্রয়োগ করা যাই সেগুলোই মৌলিক অধিকার।

সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে মৌলিক অধিকার বলবৎ করা যায়। সংবিধানের তৃতীয়ভাগে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি রয়েছে। সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদে এসব মৌলিক অধিকার ও তার প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মৌলিক অধিকার প্রয়োগ করার অধিকারও একটি মৌলিক অধিকার। কারণ, সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদও মৌলিক অধিকারের আওতাভুক্ত।

৪৪(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ’এইভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১)দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অর্থাৎ তৃতীয়ভাগে (৪৪ অনুচ্ছেদসহ) বর্ণিত কোনো অধিকার বলবৎ করার জন্য ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যে কেউ হাইকোর্টে মামলা রুজু করার অধিকার রাখে। কারো মৌলিক অধিকার লংঘিত হলে হাইকোর্টে মামলা (রিট) দায়ের করেই তা বলবৎ  করতে হয়।

অনুচ্ছেদের পরের অংশে বলা হয়েছে, ’এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন‘-অনুচ্ছেদ-৪৪(২)।

সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদে যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য কেবল হাইকোর্ট বিভাগের ওপরই ক্ষমতা বা দায়িত্ব ন্যাস্ত করা হয়েছিল, সেখানে পরের অংশে ক্ষমতাটিকে আরো একটু বিস্তৃত করে অধঃস্তন আদালতের উপরও ন্যাস্ত করা হয়েছে।

অর্থাৎ  হাইকোর্ট তার নিজের ক্ষমতাকে খর্ব না করে না করে এখতিয়ার সম্পন্ন অন্য কোনো নিম্ন আদালতকেও তার ক্ষমতাকে ডেলিগেট করতে পারে।

কাজেই মৌলিক অধিকার লংঘন হলে হাইকোর্ট বা অন্যকোন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে মামলা দায়ের করে তা বলবৎ করা যায়।

09 Nov 2012   12:33:58 AM   Friday
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার আইন-উপদেশ বিশেষ প্রতিবেদন বিচারের বানী বই পরিচিতি পাঠক ফোরাম সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
মানবাধিকার ডেস্ক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ইমেইল: humanrights@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম      এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
© 2014 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত      একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান