আইন ও মানবাধিকার
আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোন রকমের বৈষম্য ছাড়াই সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদন বই পরিচিতি সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত যেকোন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত, মন্তব্য ও প্রশ্ন পাঠিয়ে দিন-

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ humanrights@banglanews24.com

আপনার মতামত দিন

নাম:
ইমেইল:
মন্তব্য:

জাতিসংঘ ইউপিআর কর্মপদ্ধতি ২০০৮: প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন

অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত


সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় অনুষ্ঠিত সর্বজনিন পর্যায়বৃত্ত পূনরীক্ষণ কার্যক্রমে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কৃত অংগীকারসমুহ বাস্তবায়নে বর্তমান আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ। তাই অংগীকারসমুহ বাস্তবায়নসহ বর্তমানে চলমান মানবাধিকার লংঘনসমুহ বন্ধে রাষ্ট্রকে অবশ্য দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

বিগত ইউপিআর অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখাবে বলে সুস্পষ্টভাবে অংগীকার করলেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড তো বন্ধ হয়নি বরং তা নিয়মিত বেড়ে চলেছে। তাছাড়া সাথে যোগ হয়েছে গুমের মত ঘটনা। একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও গুমের মত ঘটনা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না তাই বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও গুমের সংস্কৃতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

সর্বজনিন পর্যায়বৃত্ত পুনরীক্ষণ অধিবেশনে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পেশকৃত জাতীয় প্রতিবেদন, বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার কর্তৃক পেশকৃত বিকল্প প্রতিবেদন, ইউপিআর ওয়ার্কিং গ্র“প কর্তৃক সংকলিত জাতিসংঘ প্রতিবেদন এবং ওয়ার্কিং গ্র“প অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কৃত অংগীকারসমুহের এখন পর্যন্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি অর্থাৎ তা বা¯তবায়নে সরকার কর্তৃক গৃহিত পদক্ষেপসমুহ সম্পর্কে পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কৃত অংগীকারসমুহের বাস্তবায়নের নিম্নোল্লেখিত হতাশাগ্রস্ত চিত্র ফুটে উঠেছে: 

(১) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ স্বাক্ষর সংক্রান্ত:

বাংলাদেশ সরকার ২২ মার্চ ২০১০ তারিখে রোম সংবিধি অনুস্বাক্ষর করেছে এবং অভিবাসী শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি ১৯৯৮ স্বাক্ষর করলেও এখন পর্যন্ত তা অনুস্বাক্ষর (রেটিফাই) করার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাছাড়া, নির্যাতনের বিরুদ্ধে আšতর্জাতিক চুক্তির ঐচ্ছিক প্রটোকল  অনুমোদনের বিষয়টি সরকাররের বিবেচনাধীন আছে বলে জানালেও তা গ্রহণের বাস্তব কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়।

(২) শরনার্থী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ:

বাংলাদেশ সরকার শরনার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি ১৯৯১ এবং আদিবাসী ও উপজাতি অধিকার সংকান্ত আন্তজার্তিক শ্রমিক সংগঠনের চুক্তি  ১৫৯ স্বাক্ষরের কোন পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। বরং সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাংলাদেশের নাগরিকদের বাঙ্গালী হিসেবে অভিহিত করে তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি অস্বীকার করা হয়েছে।

(৩) সংরক্ষণ ও প্রত্যাহার:

বাংলাদেশ সরকার ২৫ শে জানুয়ারী ২০১১ তারিখে জাতিসংঘের সিডও কমিটির পর্যালোচনা সভায় অংশগ্রহণ করলেও সিডও এর ২ এবং ১৬ (১)(গ) ধারা থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কোন সুনির্দিষ্ট অংগীকার করেনি। তাছাড়া, এখন পর্যন্ত নির্যাতনের বিরুদ্ধে আšতর্জাতিক চুক্তির ১৪ নং ধারা থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

(৪) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদ- কার্যকর রাখা:

জাতীয় আইনকে আন্তর্জাতিক মানদ-ে উন্নীত করার জন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনকে অনুসরণ করে না। (৫) মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার: মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সরকার কিছু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করেছে। যেমন: ৯ জুলাই, ২০০৯  ইং তারিখে সংসদ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ পাশ করেছে। যদিও কমিশন আইনে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কমিশনকে যতেষ্ট ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি। ২৩ জুন ২০১০ ইং তারিখে সরকার কমিশনের একজন চেয়ারম্যান ও একজন সার্বক্ষনিক সদস্যসহ ছয়জন সদস্য নিয়োগ প্রদান করেছে। তবে উপযুক্ত জনশক্তি ও অন্যান্য সম্পদ বরাদ্ধ করে সরকার কমিশনকে এখনো কার্যকর করতে পারেনি। তাছাড়া, ন্যায়পাল গঠনের নির্বাচনী অংগীকার পুরনে সরকার তেমন কোন ভূমিকা রাখেনি। এমন কি সরকার কর ন্যায়পাল, যা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার আংশিক পুরন করত, তাও বিতর্কিত যুক্তিতে বাতিল করেছে। 

(৬) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গ্রহনযোগ্য ম্যানডেট প্রদান করেছে। কিন্তু মানবসম্পদের অভাবে কমিশন তাদের উপর অর্পিত আজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করতে পারছে না। কমিশন বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শক্রমে তার পাঁচ বছরের একটি কর্মকৌশল প্রনয়ন করেছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে কিছু সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন তথ্যানুসন্ধান বা তদন্ত কার্য পরিচালনা করেনি। তাছাড়া, কমিশন মধ্যস্থতা বিষয়ক কর্মপদ্ধতি এখনো স্থির করতে পারেনি। ২২ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে কমিশন ৬২ জন কর্মী অনুমোদনের জন্য সরকারের নিকট পাঠালেও প্রায় একবছর পর সরকার কমিশনে ২৮ জন কর্মী নিয়োগ অনুমোদন করেন। 

(৭) জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা: 

যদিও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন কার্যকর করা সরকারের ভাল পদক্ষেপ। কিন্তু এই আইন কিছু বিষয় একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে। উদাহরণস্বরূপ: আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহীনি কর্তৃক মানবাধিকার লংঘনজনিত ঘটনার ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে প্রতিবেদন আহবানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাছাড়া, সরকারি কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদন প্রদানে ব্যর্থ হলে কমিশনের সুনির্দিষ্ট এখতিয়ার উল্লেখ নেই। তাছাড়া, ন্যায়পাল আইন ১৯৮০ এখতিয়ারাধীন বিষয় অথবা প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের  এখতিয়ারাধীন বিষয়ে কমিশনের কোন ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান যদিও নিয়মিত মিডিয়া ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে দৃশ্যমান, কিন্তু এখন পর্যন্ত কমিশন তার কার্যকারিতা প্রমান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য ঢাকা ও ঢাকার বাহিরে প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ করেছে এবং কমিশনের জন্য ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়টি চুড়ান্ত করেছে। কিন্তু প্রস্তাবিত দুর্নীতি দমন কমিশন সংশোধিত বিল সরকারের প্রতিশ্রুত একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের বিষয়ে সংশয়ের সৃষ্টি করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধন কমিশনের উপর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তাছাড়া, শুধুমাত্র দলীয় বিবেচনায় দূর্নীতির অভিযোগের হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার করা এই প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্ঠাকে বাঁধাগ্রস্ত করেছে।

বিরোধী দলের অব্যাহত সংসদ বর্জনের ফলে জাতীয় সংসদ কার্যকরভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসমুহ অপেক্ষাকৃত কার্যকর হলেও কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ কমিটি স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সংসদ সদসস্যের অধিনস্ত। জন প্রশাসনে বদলী, প্রবর্তনা ও পোস্টিং এর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করে। তাছাড়া, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক সংখ্যক জেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে অকার্যকর করে রাখা হয়েছে।  প্রাইভেট সেক্টরে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনকে অপেক্ষকৃত ক্ষমতাহীন করে সরকারের মন্ত্রনালয়কে ক্ষমতাশালী করেছে। সংসদ আইনের দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরন বিষয়ে দায়মুক্তি প্রদানের মাধ্যমে এই সেক্টরে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতাকে অস্বীকার করা হয়েছে।   

(৮) নারী ও শিশুর উন্নয়ন:

সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১ গ্রহন করেছে। এ নীতিমালায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের বিকেন্দ্রীকরন, জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট প্রনয়ন ও প্রসবকালীন ছয়মাস ছুটি প্রদানের মত ইতিবাচক পদক্ষেপ  গ্রহন করলেও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে সমান অধিকারের বিষয়ে এ নীতিমালা নিশ্চুপ। তাছাড়া, এ নীতিমালা বাস্তবায়নে সরকার তেমন কোন কার্যকর বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। ২০১১ সালে সরকার ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ২০০১১-২০১৬ প্রনয়ন করেছে, যাতে বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক নির্দিষ্ট জেন্ডার গোল অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

(০৯) জাতীয় মানবাধিকার কার্যক্রম গ্রহন:

মানবাধিকার উন্নয়নে জাতীয়ভাবে কোন কর্মসূচী এখন পর্যন্ত গ্রহন করা হয়নি। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহীনিকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের ব্যবহার ও কাজে কোন পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না। 

(১০) জাতিসংঘের বিশেষ পদ্ধতির সাথে সহযোগীতা বৃদ্ধি:

মানবাধিকারের বিশেষ পদ্ধতিসমুহের নিকট থেকে প্রাপ্ত অনুরোধের বিষয় অমিমাংশিত রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম শীর্ষে অবস্থান করছে। স্বাধীনভাবে মতামত ধারন ও প্রকাশের অধিকার সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিবেদক ( ২০০৩ সাল থেকে), সংখ্যালঘু বিষয়ক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ ( ২০০৬ সালে অনুরোধ করে), বিচারবহির্ভূত, সংক্ষিপ্ত অথবা স্বেচ্ছাচারী মৃত্যু দন্ড প্রদান বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক (অনুরোধ করে ২০০৬ সালে এবং ২০০৮ ও ২০০৯ সালে তাগাদা দেন), বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিবেদক (২০০৭ সালে অনুরোধ করে), সমকালীন দাসত্ব বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক (২০০৮ সালে অনুরোধ করে) এবং বর্ণ-বৈশম্য বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক (২০০৮ সালে অনুরোধ করে) এর মত বিশেষ পদ্ধতিসমুহের অনুরোধ বাংলাদেশ বছরের পর বছর অমিমাংসিত রেখেছে।

মানবাধিকার ও চরম দারিদ্র বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ এবং  নিরাপদ খাবার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সহজলভ্যতা বিষয়ক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দল ২০০৯ সালে বাংলাদেশে একটি যৌথ মিশন পরিচালনা করে। পর্যাপ্ত আবাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশ পরিদর্শনের জন্য নীতিগতভাবে রাজি হয়েছে, কিন্ত এখন পর্যন্ত পরিদর্শনের সময় নির্ধারিত হয়নি। (প্রথম কিস্তি)

দ্বিতীয় কিস্তি আগামিকাল

লেখক প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ

30 May 2012   10:03:59 AM   Wednesday
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার আইন-উপদেশ বিশেষ প্রতিবেদন বিচারের বানী বই পরিচিতি পাঠক ফোরাম সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
মানবাধিকার ডেস্ক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ইমেইল: humanrights@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম      এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
© 2014 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত      একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান