আইন ও মানবাধিকার
আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোন রকমের বৈষম্য ছাড়াই সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদন বই পরিচিতি সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত যেকোন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত, মন্তব্য ও প্রশ্ন পাঠিয়ে দিন-

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ humanrights@banglanews24.com

আপনার মতামত দিন

নাম:
ইমেইল:
মন্তব্য:

জাতিসংঘ ইউপিআর কর্মপদ্ধতি ২০০৮: প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন

অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত


(১১) নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনী সংস্কার:
পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ সালের অক্টোবরে পাশ হয়েছে এবং ৩০ শে ডিসেম্বর ২০১০ ইং তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। শিশু সংক্রান্ত সকল দাপ্তরিক দলিলে মায়ের নাম অন্তর্ভূক্ত করাকে ব্যাধ্যতামূলক করে ২০১০ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে মায়েদের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়েছে। যদিও শিশুর পরিচয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র মায়ের পরিচয় যথেষ্ট নয়।

২০০৯ সালের ১৪ মে সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানী বন্ধে আইন প্রনয়ন করাসহ হাইকোর্ট কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু সরকার হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক সুনির্দিষ্ট আইন প্রনয়নসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

২০১১ সালের ১০ এপ্রিল, হাইকোর্ট ডিভিশন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের সময় জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে বয়স নির্ধারনের জন্য মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন আইন ১৯৭৪ সংশোধনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি।

(১২) নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা:

নারীদের জন্য প্রসবকালীন ছুটি ৬ (ছয়) মাস করা হয়েছে। ৩০জুন ২০১১ ইং তারিখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ টি করা হয়েছে। কিন্তু এখনো সংরক্ষিত মহিলা আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি।

নারীদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি, স্বাক্ষরতা হারে বৈষম্য বিলোপ, মেয়েদের জন্য কারিগরি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার ২০১০ সালে শিক্ষা নীতি গ্রহণ করেছে।

(১৩) নারী অধিকার রক্ষায় প্রচলিত আইনের সংশোধন ও কার্যকর প্রয়োগ:

মজুরির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন বৈষম্য নেই বলে যদিও সরকার উল্লেখ করেছে, কিন্তু বাস্তবে অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রম ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে মজুরি বৈষম্য বিদ্যমান। তাছাড়া, পোশাক শিল্পে খুব অল্পসংখ্যক নারীকে তত্ত্বাবধায়কের পদে দেখা যায়।

(১৪) শিশু অধিকার:

২০১১ সালের ফেব্র“য়ারিতে  মন্ত্রীসভা শিশু নীতিমালা অনুমোদন করে। সরকার শিশু আইন ১৯৭৪ সংশোধনের পদক্ষেপ নিয়েছে। উচ্চ আদালত শিক্ষা ক্ষেত্রে শিশুদের শারীরিক শাস্তি প্রদান বন্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং সে অনুযায়ী প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তবে শিশু বিচার অর্থাৎ জুভেনাইল জাস্টিস প্রক্রিয়া উন্নয়নে সরকার এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
 
(১৫) অর্পিত সম্পত্তি:

অর্পিত সম্পত্তি সংশোধিত আইন ২০১১ পাশ হলেও সরকার এখন পর্যন্ত সকল সম্পত্তির তালিকা প্রনয়ণ করতে পারেনি।
 
(১৬) প্রান্তিক জনগোষ্ঠী:

সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বরাদ্ধ বৃদ্ধি ও এর আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তা বিতরনে ব্যাপক অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাব এর উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবৃদ্ধ করেছে।

(১৭) মৃত্যুদ- বিলোপ:

সরকার মৃত্যুদ- বিলোপে অংগীকারাবদ্ধ নয় এবং এব্যাপারে কোন পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি।

(১৮) বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-:

সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- সমর্থন করে না এবং এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করলেও বর্তমানে নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- বহাল রয়েছে। সাথে গুম, হত্যা, গণপিটুনিসহ নানাবিধ মানবাধিকার লংঘনের বিষয় যুক্ত হয়েছে।
 
(১৯) নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা:

নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে সরকার পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন কার্যকর করা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। হাইকোর্টের নির্দেশনার পর ফতোয়া প্রদানের মত মানবাধিকার লংঘনজনিত ঘটনা হ্রাস পেলেও এ বিষয়ে তথ্য ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার করা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের নিকট নির্দেশনা প্রেরণের ব্যাপারে সরকারের উপযুক্ত উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয়নি। তাছাড়া, সরকারের বিভিন্ন  উদ্যোগ সত্বেও কন্যাশিশু উত্যক্তকরণ এখন বন্ধ হয়নি।

(২০) শিশুশ্রম নিরসননীতি:

সরকার যদিও জাতীয় শিশুশ্রম নীতিমালা গ্রহণের পদক্ষেপ নিয়েছে, কিন্তু  সরকারের কার্যকর মনিটরিং এর অভাবে এখন শিশুশ্রম চলমান রয়েছে।
 
(২১) যৌন সহিংসতা, শিশু নির্যাতন ও পাচার বিরোধী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা:

যদিও পূর্ববতী পাঁচ বছর মেয়াদী যৌন সহিংসতা, শিশু নির্যাতন ও পাচার বিরোধী জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০০৭ সালে উত্তীর্ন হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন কোন  জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রনয়ন করা হয়নি। এমনকি প্রনয়নের কোন পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি।

(২২) দুর্নীতি দমন:

যদিও তথ্য অধিকার আইন কার্যকর করা, তথ্য কমিশন গঠন, তথ্য প্রদানকারী সুরক্ষা আইন কার্যকর করার মাধ্যমে দুর্নীতি হ্রাসে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রনে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।  শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় হাজার হাজার দুর্নীতির মামলা প্রতাহার দূর্নীতি দমনে সরকারের প্রতিশ্র“তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিন বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র সরকারের মন্ত্রীরা তাদের সম্পদের বিবরন প্রধানমন্ত্রীর নিকট জমা দিয়েছে। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যসমুহ সবার জন্য উম্মুক্ত করার ব্যাপারে সরকার কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। তাছাড়া, সংসদ সদস্যের সম্পদের বিবরণ উন্মুক্ত করার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ সরকার এখনো গ্রহণ করেনি।

(২৩) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা:

নিম্ন আদালতে বিচারক নিয়োগের জন্য সরকার জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ইতোমধ্যে নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতে কিছু সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন। উচ্চ আদালত দীর্ঘদিনের অমিমাংশিত মামলাসমুহ দ্রুত শুনানীর জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ ১৭ জন বিচারপতির  সম্পদের হিসেব প্রদান একটি স্বাগত পদক্ষেপ। কিন্তু, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এখনো সম্পূর্নরূপে কার্যকর নয়। নিম্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ, বদলী, পদোন্নতি এখনো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনাধীন। তাছাড়া, রাজনৈতিক বিবেচনায় উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ এবং জেষ্ঠতা লংঘন করে বিচারপতি নিয়োগ প্রদানের অপসংস্কৃতি এখনো বিদ্যমান রয়েছে। কোন প্রকার স্বচ্ছতা ছাড়া শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা প্রত্যাহার নিয়মিত ব্যাপার। সর্বোপরি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত খুনের আসামীকে ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে  আইনের শাসনও প্রশ্নবিধ্য।  

(২৪) বিচারহীনতা ও দায়হীনতার সংস্কৃতি:

যদিও বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের স্বঘোষিত খুনিদের সাজা কার্যকরের মাধ্যমে বিচারহীনতা ও দায়হীনতার সংস্কৃতি থেকে রেরিয়ে আসার একটি প্রক্রিয়া দেখা যায়, কিন্তু নির্যাতন, বিনা বিচারে হত্যাকা-ও গুমের ঘটনাসমুহের কোন নিরপেক্ষও স্বাধীন তদন্ত হয়নি। বিভাগীয় তদন্ত হলেও তার ফাইন্ডিংসগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি এবং এখন পর্যন্ত কাউকে সাজা প্রদান করা হয়নি।

(২৫) যৌন সম্পর্ক ও যৌন আচরণ সম্পর্কিত:

সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের যৌন আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের অংগীকার করলেও সে সম্পর্কে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। হিজরাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও সাংবিধানিকভাবে তাদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি বরাবর উপেক্ষিত থেকে গেছে।

(২৬) মানবাধিকার কর্মীদের রক্ষা:

মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অংগীকার করলেও তাদের উপর আক্রমন, ভয় ভীতি প্রদর্শন, হুমকি, হয়রানী ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি কর্তৃক অসহযোগীতার মনোভাব, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী কর্তৃক আক্রমন, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী একটি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কর্মী অধিকার ঘোষনাপত্র অনুযায়ী মানবাধিকার কর্মী অধিকার সুরক্ষায় আইন প্রনয়নের ব্যাপারে সরকার এখনো কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

(২৭) দারিদ্র বিমোচন:

দারিদ্র বিমোচনে সরকার নীতিগত পরিকল্পনা গ্রহন করলেও তা বাস্তবায়নের তেমন কোন কার্যকর অগ্রগতি চোখে পড়ে না।

(২৮) খাদ্যের অধিকার:

খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করণে সরকার কৃষকবান্ধব কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও খাদ্যের লাগামহীন উচ্চমূল্য ও ভেজাল খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে।

(২৯) স্বাস্থ্যের অধিকার:

সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করলেও সরকার এখন পর্যন্ত জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি চুড়ান্ত করেনি।

(৩০) শিক্ষার অধিকার:

সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক শিক্ষা নীতি গ্রহণ করেছে। সবার জন্য সমন্বিত অসাম্প্রদায়িক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও মাদ্রাসা শিক্ষার মত সাম্প্রদায়িক শিক্ষা খাতে আর্থিক বরাদ্ধ চলমান রেখে অসামঞ্জস্যের সৃষ্টি করেছে।


(৩১) পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন:

সরকারের প্রাথমিক পর্যায়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়নে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও ভুমি সমস্যা সমাধানে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

(৩২) বিভিন্ন সনদের অধীনে প্রতিবেদন প্রদান:

বাংলাদেশ সিডও কমিটির নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করেছে। কিন্তু সিডও তে সংরক্ষিত ধারাগুলো থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহারের কোন প্রতিশ্র“তি প্রদান করেনি। এমনকি সিডও কে জাতীয় আইনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি।

(৩৩) পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলা:

কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলা কার্যক্রম পরিচালনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অর্থ বরাদ্ধের ক্ষেত্রে অনিয়ম করায় ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বঞ্চনার শিকার হয়েছে।

(৩৪) নাগরিক সমাজের সাথে সংলাপ:

কমনওয়েলথ সচিবালয়ের সহযোগিতায় সরকার ফেব্র“য়ারি ২০১১ তারিখে নাগরিক সমাজের সাথে ফলো-আপ সেমিনারের আয়োজন করে। কিছু ক্ষুদ্র পর্যায়ের পদক্ষেপ ছাড়া সরকার ইউপিআর ফলশ্র“ত শুপারিশসমুহ বাস্তবায়নে নাগরিক সমাজের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

লেখক প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ

জাতিসংঘ ইউপিআর কর্মপদ্ধতি ২০০৮: প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন (প্রথম কিস্তি)

01 Jun 2012   08:53:09 PM   Friday
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার আইন-উপদেশ বিশেষ প্রতিবেদন বিচারের বানী বই পরিচিতি পাঠক ফোরাম সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
মানবাধিকার ডেস্ক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ইমেইল: humanrights@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম      এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
© 2014 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত      একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান