আইন ও মানবাধিকার
আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং কোন রকমের বৈষম্য ছাড়াই সকলে আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার বিশেষ প্রতিবেদন বই পরিচিতি সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত যেকোন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত, মন্তব্য ও প্রশ্ন পাঠিয়ে দিন-

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ humanrights@banglanews24.com

আপনার মতামত দিন

নাম:
ইমেইল:
মন্তব্য:

নিষেধাজ্ঞা কী ও কেন

মানবাধিকার ডেস্ক


কারো কোনো ন্যায়সঙ্গত অধিকার ভঙ্গ হলে আমরা সাধারণত আইন-আদালতের আশ্রয় নিয়ে থাকি। আদালত আইনানুযায়ী আমাদের ন্যায়সঙ্গত দাবী পূরণ করে থাকে। আবার ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত কিছু প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে যাতে করে কারো কোনো অধিকার ভঙ্গ না হয়। এ ধরনের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া পুরোপুরি আদালতের এখতিয়ারভূক্ত। আদালত যদি মনে করে তবেই এধরনের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনানুযায়ী আদালত তার এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। ’নিষেধাজ্ঞা’ বা Injunction তাদের মধ্যে অন্যতম। নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। এ আদেশের মাধ্যমে আদালত কাউকে কোনো কাজ করা বা না করার জন্য আদেশ দিতে পারে। বাদী ও বিবাদীর মধ্যে ন্যায় বিচার নিশ্চিৎ করার জন্যই আদালত এ ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা জারি করা বা না করা আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন একটি ক্ষমতা। আদালত যদি ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোনো নিষেধাজ্ঞা প্রদান যুক্তিসঙ্গত মনে তাহলে বাদী বা বিবাদী যে কারো প্রতি এ নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। সাধারণত দুই ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিধান আছে- অস্থায়ী ও চিরস্থায়ী (৫২ ধারা)। 

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমনতর নিষেধাজ্ঞা, যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বলবৎ থাকে না। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। আদালত মোকদ্দমার যে কোনো অবস্থায় এ নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিধান দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা তা নির্ধারিত হয়ে থাকে (৫৩ ধারা)।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় সাধারণত মামলা শুনানীর পর বা মামলা চলাকালীন কোনো সময়ে। মামলার গুনাগুনের ওপর ভিত্তি করে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এ নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত বিবাদীকে কোনো একটি কাজ করা বা না করার জন্য আদেশ প্রদান করে। 

14 Jun 2012   05:06:28 PM   Thursday
প্রচ্ছদ মতামত মানবাধিকার আইন-উপদেশ বিশেষ প্রতিবেদন বিচারের বানী বই পরিচিতি পাঠক ফোরাম সপ্তাহের আইন নোটিস বোর্ড
মানবাধিকার ডেস্ক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ইমেইল: humanrights@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম      এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
© 2014 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত      একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান