ভাষাদিবসে ভারতে টাঙানো হবে হাসিনার ছবি, বাংলাদেশে মমতার
[x]
[x]
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ভাদ্র ১৪২৫, ২১ আগস্ট ২০১৮
bangla news

ভাষাদিবসে ভারতে টাঙানো হবে হাসিনার ছবি, বাংলাদেশে মমতার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০২-১১ ৯:২৬:০২ এএম
শেখ হাসিনা-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি)

শেখ হাসিনা-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি)

কলকাতা: ‘মোদের গরব- মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’ -এক জাতি, এক ভাষা, এক সংস্কৃতি। শুধু মাঝখানে কাঁটাতারের বেড়া। মাতৃভাষার টানে দুই বাংলার সেই ব্যবধান ঘোচাতে উদ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। 

এবারে ২১শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে পেট্রাপোল ও বেনাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দু’দেশের একটি মঞ্চ তৈরি হবে। সেখানেই উদযাপিত হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এর জন্য সীমান্তের দু’পাশে একই ধরনের হোর্ডিং তৈরি করা হচ্ছে। শুধু বদলাচ্ছে ছবির মুখ। 

পশ্চিমবঙ্গের হাবড়া থেকে বনগাঁ হয়ে সীমান্ত পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে সেজে উঠবে। আবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকবে বাংলাদেশের বেনাপোল থেকে যশোর পর্যন্ত। ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানের মধ্যমণি হয়ে উঠবেন দুই বাংলার দুই অগ্নিকন্যা।

২১শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে প্রতি বছরই বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে আলাদাভাবে তৈরি হয় মঞ্চ। ভারত সরকারের তরফ থেকে মঞ্চ তৈরি হয় পেট্রাপোলে। আর বেনাপোলে তৈরি হয় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। বাঙালির অনুষ্ঠান হলেও দুই মঞ্চে চলে দু’দেশের পৃথক অনুষ্ঠান। এই দূরত্ব ঘোচাতে গত বছর প্রথম সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দু’দেশের পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তা সফল হওয়ায় এবার জিরো পয়েন্টেই একযোগে ভাষা দিবস পালিত হবে। 

এখন থেকে প্রতি বছর ভাষা দিবস একই মঞ্চে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দু’দেশের প্রতিনিধিরা। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একই মঞ্চে দু’দেশের জনপ্রতিনিধি এবং শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, গতবার একসঙ্গে অনুষ্ঠান করা হয়েছিল, তবে ছোট করে। এই প্রথম বড় আকারে একই মঞ্চে দুই বাংলার অনুষ্ঠান হবে। যৌথ অনুষ্ঠান হওয়ায় ‘দুই বাংলা মৈত্রী সমিতি’র নামে আমন্ত্রণপত্র ছাপানো হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে বাংলাদেশ যেমন সেজে উঠবে, আমরাও শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে সাজিয়ে তুলবো এপারে। এর মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা আরও ছড়াবে। 

বাংলাদেশ সময়: ০৯২৫ ঘণ্টা, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
ভিএস/আরআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কলকাতা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa