উত্তরবঙ্গের লড়াইয়ে জিতল রাজশাহী

ঢাকা: দুটো হাফসেঞ্চুরির একটি শামসুর রহমানের ৬৮ রানের, অপরটি তামিম ইকবালের ৫০ রানের। শামসুর রহমান হেরে গেলেন, তামিম ইকবাল জিতলেন। অর্থাৎ দুরন্ত রাজশাহীর কাছে রংপুর রাইডার্স হেরেছে সাত উইকেটে।

রংপুর রাইডার্স: ১৬৩/৩ (২০ ওভার)
দুরন্ত রাজশাহী: ১৬৮/৩ (১৯ ওভার)
ফল: দুরন্ত রাজশাহী সাত উইকেটে জয়ী

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন কে কোন দলের খেলোয়াড়। শামসুর রহমানের দল রংপুর রাইডার্স প্রথমে ব্যাট করে তিন উইকেটে তোলে ১৬৩ রান। রাজশাহী ওই রান মোকাবেলা করে একই উইকেটে, এক ওভার হাতে রেখে।

এই বিপিএলে শামসুর রহমান সাত ইনিংস ব্যাট করে চারটিতে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন, চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ৫২, বরিশালের বিপক্ষে ৬৬, সিলেটের সঙ্গে ৫২ এবং দুরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে ৬৮ রান। তাঁর প্রথম দুটো হাফসেঞ্চুরিতে জিতেছে রংপুর রাইডার্স। পরের দুটো দলকে জেতাতে পারেনি। এনিয়ে তাঁকে কেউ দোষারোপ করছে না। তিনিও হতাশ নন।  

শনিবার দুরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চারটি চার ও একটি ছয়ে ৫৭ বলে ৬৮ রানের ইনিংসটি খেলেন রংপুরের ওপেনার। সঙ্গী জুনায়েদ সিদ্দিকের সঙ্গে ৬০ রানের জুটিও হয়। বিপিএলে এবার প্রথম খেলতে নামা ওপেনার জুনায়েদ ৩১ রানে আউট হন। ১৬ বলের ছয়টিকেই সীমানা ছাড়া করেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। যার একটি সীমানা দড়ির ওপারে পড়েছে।

নাসির হোসেন এবং শামসুর রহমানের দ্বিতীয় উইকেটেও জুটি হয় ৫৫ রানের। এই জুটি একটু বেশি বল খেলে, ৫১ বলে ৫৫ রান। নাসির ২৯ বলে ৩০ রানে মুনাবিরার শিকার।

১৮.২ ওভারে আউট হয়েছেন ওপেনার শামসুর রহমান, রংপুরের সংগ্রহে তখন ১৪৫ রান। ক্যামেরন বোরগাসের সঙ্গেও ৩৫ রানের জুটি হয় তার। বোরগাস ২২ রানে আর ডেনজা হায়াত ১০ রানে অপরাজিত। কিন্তু দিন শেষে ইনিংসগুলোর কোন মূল্যই রইল না।

তামিম ইকবাল এবং চার্লস কভেন্ট্রি রংপুরের হাসি কেড়ে নেন ৬২ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে। এমন উড়ন্ত সুচনায় জয় হাতছানি দেয় রাজশাহীকে। কভেন্ট্রি ৪৭ ও জহুরুল ইসলাামের ঝড়ো ৩৮ রানের ইনিংস জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় দলটিকে। জহুরুল ১৮ বলে দুই চার ও তিন ছয়ে নিজের ইনিংসটি সাজান।

এই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন তামিম।

রংপুর সাত ম্যাচের চারটিতে হেরেছে। একম্যাচ বেশি খেলে দুরন্ত রাজশাহী জিতেছে চার ম্যাচ। শীর্ষ চারে থাকার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে দলটি।

বাংলাদেশ সময়: ২০০৭ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৩
এসএ/এএইচবি