বড় জয় রাজশাহীর

ঢাকা: তামিম ইকবাল ও চার্লস কভেন্ট্রির দারুণ ইনিংসের সুবাদে ৬ বল বাকি থাকতে রংপুর ‍রাইডার্সের বিপক্ষে সাত উইকেটের বড় জয় পায় দুরন্ত রাজশাহী। বিপিএলে এটি তাদের চতুর্থ জয়। এর আগে দুই ওপেনার জুনাইদ সিদ্দিক ও শামসুর রহমানের ব্যাটে ভর করে রাইডার্সের সংগ্রহ দাঁড়ায় তিন উইকেটে ১৬৩ ‍রান।

রংপুর রাইডার্স: ১৬৩/৩ (২০ ওভার)
দুরন্ত রাজশাহী: ১৬৮/৩ (১৯ ওভার)
ফল: দুরন্ত রাজশাহী সাত উইকেটে জয়ী।

রাইডার্স ওপেনারদ্বয়ের ঝড়ো ইনিংসের পাল্টা জবাব বেশ ভালোভাবেই দেন তামিম-কভেন্ট্রির উদ্বোধনী জুটি। ৬৭ বলে ৯৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন তারা। ৩৬ বলে চারটি চার ও দুই ছয়ে ৫০ রানে সাজঘরে ফেরেন তামিম। এ জুটি ভাঙেন তাপস ঘোষ। এরপর ৩৫ বলে সমান বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪৭ রানে রান আউট হন কভেন্ট্রি।

দুই ওপেনারের ঝড়ো ইনিংসের পথ অনুসরণ করে জহুরুল ইসলাম ও শিন আরভিন সহজেই জয় ছিনিয়ে আনেন। ১৮ বল খেলে দুই চার ও তিন ছয়ে ৩৮ রানে অপরাজিত জহুরুল। জয়সূচক রানটি এসেছে আরভিনের ব্যাট থেকে, ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।  

সোমবার দুরন্ত রাজশাহী ও রংপুর রাইডার্সের লড়াই দিয়ে আবারো বিপিএল ফিরে এসেছিল ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে জুনাইদ ও শামসুর জুটি ৪১ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দারুণ সূচনা আনেন। তবে ১৬ বলে পাঁচ চার ও এক ছয়ে ৩১ রানে মনির হোসেনের বলে ফরহাদ হোসেনের কাছে ক্যাচ তুলে দেন ওপেনার জুনাইদ। নাসির হোসেনকে নিয়ে শামসুর ৫৫ রানের আকেরটি দারুণ জুটি গড়েন। এক চার ও দুই ছয়ে ৩০ রানে সাজঘরে ফেরেন নাসির।

দলীয় ১৪৫ রানে কাপুগেদারার থ্রোতে রান আউট হওয়ার আগে বিপিএলে নিজের সর্বোচ্চ ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন শামসুর। এটি তার চতুর্থ অর্ধশতক। রাইডার্সের এ ওপেনারের ইনিংসে ছয়টি ‍চার ও একটি ছয়ের মার রয়েছে।

ক্যামেরন বোরগাস ২২ ও ড্যাঞ্জা হায়াত ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘণ্টা, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
এফএইচএম