সিলেটকে হটিয়ে ফাইনালে চিটাগং
ঢাকা: মুশফিকুর রহিম ও এলটন চিগুম্বুরার ব্যাটে সাত উইকেটে সিলেট রয়্যালসের সংগ্রহ ১৪৯ রান। ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে দুটি ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপদে পড়েছিল চিটাগং কিংস। তবে নুরুল হাসান ও নাঈম ইসলামের জুটির পর রায়ান টেন ডেসকাটের ব্যাটে পাঁচ বল বাকি থাকতে তিন উইকেটের দারুণ এক জয়ে ফাইনালে উঠল মাহমুদুল্লাহ বাহিনী।
সিলেট রয়্যালস: ১৪৯/৭ (২০ ওভার)
চিটাগং কিংস: ১৫০/৭ (১৯.১ ওভার)
ফল: চিটাগং কিংস তিন উইকেটে জয়ী।
জয়টা সহজেই আসেনি চিটাগংয়ের। শুরুতেই সোহাগ গাজীর কাছে বোল্ড হন ওপেনার জেসন রয় (২)। চিগুম্বুরা তৃতীয় বলে রবি বোপারাকে পেছনে থাকা মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দিতে বাধ্য করেন। দলীয় ৪ রানেই নেই দুই উইকেট। ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়েন নুরুল ও নাঈম। ৫৭ রানের বিপদ এড়ানো জুটি গড়েন তারা।
তবে সোহরাওয়ার্দী শুভর কাছে থামে নাঈমের ৩১ রানের ইনিংস। ২৭ বল খেলে দুই চার ও এক ছক্কায় এ ইনিংস গড়েন চিটাগং ওপেনার। এক ওভার বিরতিতে মোহাম্মদ নবী সাজঘরে ফেরান নুরুলকেও। পাঁচ চারে ৩৩ রানে সোহরাওয়ার্দীর কাছে ক্যাচ তুলে দেন নুরুল। ১৪ রানে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ নবীর এলবিডব্লিউ শিকার হন।
এরপর ডাচ ব্যাটসম্যান ডেসকাট ও আরিফুল হকের ব্যাটে চিটাগং জয় থেকে চার রান দূরে থাকতে টানা দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরান নাজমুল হোসেন। আরিফুল ১২ বলে দুই চার ও এক ছয়ে ২৩ রানে বোল্ড হন। কেভন কুপারও এলবিডব্লিউর শিকার। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগালেও তা হতে দেননি জ্যাকব ওরাম। শেষ ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জয় ছিনিয়ে আনেন ডেসকাট। ২৮ বলে চারটি বাউন্ডারি ও এক ছয়ে অপরাজিত ৪৪ রানে মাঠ ছাড়েন এ তারকা ব্যাটসম্যান।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে সিলেট। স্টারলিংয়ের ব্যাটে দুই ওভারে ১৬ রান করে। ১১ বলে তিন চারে ১৪ রান করে ডেসকাটের থ্রোতে আইরিশ ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরেন। এরপর এনামুল হক জুনিয়র দুই ওভারে মাঠ ছাড়া করেন ডোয়াইন স্মিথ (৫) ও শিবনারায়ন চন্দরপলকে (১৬)। ১৫ বলে বাউন্ডারি বিহীন ১০ রান করে রবি বোপারার বলে ডেসকাটের তালুবন্দি হন মোহাম্মদ নবী।
দলীয় ৬৮ রানে চার উইকেট হারানোর পর এলটন চিগুম্বুরাকে নিয়ে মুশফিকের সর্বোচ্চ ৪৮ রানের জুটিতে ধাক্কা সামলায় সিলেট। ২০ বলে তিন চার ও দুই চয়ে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে কেভন কুপারের বলে এনামুলের তালুবন্দি হন অধিনায়ক। কুপারের দ্বিতীয় শিকার হন নাজমুল হোসেন (৮)।
শেষদিকে রানের গতি বাড়ান চিগুম্বুরা। ২৫ বলে তিনটি করে বাউন্ডারি ও ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যান। অপর প্রান্তে ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন সোহরাওয়ার্দী শুভ।
কুপার ও এনামুল সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট দখল করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩০ ঘণ্টা, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
এফএইচএম