সাঙ্গাকারা-চান্দিমালের শতকে চালকের আসনে শ্রীলঙ্কা
ঢাকা: অভিজ্ঞতার স্বার্থকতাই এখানে, প্রয়োজন মুহূর্তে ঠিক কাজটি করা। কুমার সাঙ্গাকারা যেটা করছেন শ্রীলঙ্কার জন্য। ৬৯ রানে চার উইকেট পড়ে যাওয়ার পরও উইকেটে অবিচল থেকে দিনেশ চান্দিমালকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে গড়েছেন ১৯৫ রানের জুটি। দুজনেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি, শ্রীলঙ্কা পেয়েছে ৫৪ রানের লিড। প্রথম ইনিংসে তাদের মোট স্কোর ছয় উইকেটে ২৯৪ রান।
বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস- ২৪০
শ্রীলঙ্কা: প্রথম ইনিংস- ২৯৪/৬ (৯৩ ওভার)
চান্দিমাল ১০২ রান করে সাজঘরে ফিরলেও অপরাজিত রয়েছেন সাঙ্গাকারা। চান্দিমালের এটি দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি, দুটোই বাংলাদেশের বিপক্ষে। গলে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ২৩ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। রোববার নিজের ইনিংসটি খেলেছেন ১৭৬ বলে আটটি চারের মারে। তিনি অবশ্য তরুণ, এটি তার সপ্তম টেস্ট। অভিজ্ঞ সাঙ্গাকারা অপরাজিত রয়েছেন ১২৭ রানে। শনিবার থেকে ক্রিজে থাকা ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান ২৭১ বল মোকাবেলা করতে ছয় ঘন্টারও বেশি সময় নিয়েছেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বরাবরই দুর্দান্ত খেলেন। এবারের টেস্ট সিরিজেই তিন ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। গলের ড্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৪২, দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৫ আর কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরির পর এখনও খেলছেন। ১১৭ টেস্টে ১০৪১৯ রান করা লঙ্কান সাবেক অধিনায়ক তৃতীয় দিন ব্যাট করবেন নুয়ান কুলাসেকারার সঙ্গে। লঙ্কান এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান দুই রানে অপরাজিত রয়েছেন।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগের দিনের এক উইকেটে ১৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করে শ্রীলঙ্কা। দলীয় স্কোরে ২১ রান যোগ হতেই দিমুথ করুনারত্নের (১৭) উইকেট নিয়ে সফরকারীদের দিনের প্রথম সাফল্য উপহার দেন পেসার আবুল হাসান। নতুন ব্যাটসম্যান লাহিরু থিরিমান্নেও সুবিধা করতে পারেননি। তাকে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে দেন অপর পেসার রবিউল ইসলাম। শনিবার এই রবিউলের বলেই রানের খাতা খোলার আগে আউট হয়েছেন তিলকারত্নে দিলশান।
দলীয় ৬৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে (১৬) সাজঘরে ফেরান অফ স্পিনার সোহাগ গাজী। পঞ্চম উইকেটে ১৯৫ রানে জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন কুমার সাঙ্গাকারা ও দিনেশ চান্দিমাল। চান্দিমালকে বোল্ড করেন পেসার রুবেল হোসেন। নতুন ব্যাটসম্যান কিথুরুয়ান ভিথানাগে ক্রিজে থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন (১২)। তিনিও রুবেলের শিকার।
ছয় উইকেট ভাগাভাগি করেছেন চারজন বোলার। পেসার রবিউল এবং রুবেল দুটি করে, আরেক পেসার আবুল একটি এবং ডানহাতি অফস্পিনার গাজী নিয়েছেন অপর উইকেটটি।
বাংলাদেশ সময়: ১৩০৫ ঘণ্টা, ১৭, ২০১৩
এসএ/এএইচবি